সূত্র অনুযায়ী, India One Air-এর বিদ্যমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে জানুয়ারির শেষে। চুক্তি নবীকরণ না হওয়ায় উড়ান পরিষেবা পুরোপুরি স্থগিত হতে পারে।
ভোটের মুখে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন রাজনৈতিক চর্চা। কারণ—
যখন বিমানবন্দর চালু হয়েছিল, তখন কেন্দ্র ও রাজ্য—দুই পক্ষই ক্রেডিট নেওয়ার জন্য সরব হয়েছিল।
২০২৩ সালে পরিষেবা শুরু হওয়ার পর নিয়মিত যাত্রী যাতায়াতে সুবিধা হয়েছিল। পরিষেবা বন্ধ হলে—
ব্যবসা, চিকিৎসা সংক্রান্ত ভ্রমণ, পর্যটন
সব ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
চুক্তি নবীকরণের বিষয়ে কেন্দ্র বা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
কোচবিহার বিমান পরিষেবা আবারও স্থগিত হলে, অঞ্চলটির উন্নয়ন কার্যত ধাক্কা খাবে—এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।



0 মন্তব্যসমূহ